প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ - ভোরের সময় অনলাইন প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds


প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ



নেত্রকোনা পূর্বধলা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় খলিশাউড় ইউনিয়ন পরিষদের ১নং প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের ১১ জন ইউপি সদস্য একত্রিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।


অভিযোগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রেজুলেশন জালিয়াতি, উন্নয়ন তহবিল আত্মসাত এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো নানা অনিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়, পরিষদের অনুমোদন ছাড়া ১% স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য ৬ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের উন্নয়ন তহবিলের ৫ লাখ টাকা ঠিকাদারদের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।


এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন তহবিলের ৭ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকার প্রকল্প তালিকাও পরিষদের অনুমোদন ছাড়া জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।


ভিজিডি (VGD) কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের চাল নিজের জিম্মায় রাখা, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে স্বজনপ্রীতি, রোহিঙ্গা নাগরিকদের অবৈধ জন্মনিবন্ধন বা অন্যান্য সনদ প্রদান এবং মাতৃত্বকালীন ভাতায় একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে।


ইউপি সদস্যরা অভিযোগে জানান, প্যানেল চেয়ারম্যান এককভাবে পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা বর্তমান ১নং প্যানেল চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি দিয়ে ২নং প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


অভিযোগের বিষয়ে ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ মিয়া বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং একটি মহলের ষড়যন্ত্র। তিনি দাবি করেন, উন্নয়ন কাজের জন্য তিনি একাধিকবার পুরস্কৃত হয়েছেন এবং সব কার্যক্রম নিয়ম মেনেই পরিচালিত হয়েছে। তাকে পদ থেকে সরানোর উদ্দেশ্যেই অন্য সদস্যদের ভুল বুঝিয়ে এই গণস্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান।


অভিযোগপত্রটি ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এর অনুলিপি জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং পূর্বধলা প্রেসক্লাবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।


স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ